Wednesday , February 20 2019
সর্বশেষ
Home / প্রথম পাতা / ভেনামি জাতের চিংড়ির কাছে বাজার হারাচ্ছে বাগদা ও গলদা

ভেনামি জাতের চিংড়ির কাছে বাজার হারাচ্ছে বাগদা ও গলদা

বাংলাদেশের হিমায়িত খাদ্য রপ্তানীর বড় অংশই বাগদা ও গলদা চিংড়ি। এ খাতের ৮০ ভাগের উপরে আয় আসে চিংড়ি থেকে। চিংড়ি ও মাছ প্রক্রিয়াজাত করণের জন্য সারা দেশে ৭০ টি কারখানা আছে। প্রক্রিয়াকরণ শেষে হিমায়িত খাদ্য ৬০ টি দেশে রপ্তানী হয়।

দেশের উপকূলীয় জেলার ২ লক্ষ ৭৬ হাজার হেক্টর জমিতে চিংড়ি চাষ হয়। উৎপাদন হয় বছরে গড়ে দেড় লক্ষ টনের বেশি চিংড়ি। এর মধ্যে রপ্তানী হয় ১৫ শতাংশ। তবে গত এক দশক ধরে আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের চিংড়ির চাহিদা কমে গেছে। ফলে প্রতিবছরই লক্ষ্যমাত্রা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের চিংড়ি রপ্তানী। এমনকি অর্জন করতে পারছে না উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রাও।

রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে চিংড়ি রপ্তানীতে আয় হয় ৫৩ কোটি ডলার। পরের অর্থবছরে তা কমে গিয়ে হয় ৫২ কোটি ডলার। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে রপ্তানী আয় আরও কমে গিয়ে দাঁড়ায় ৫০ কোটি ডলারে। চলতি অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসের রপ্তানী লক্ষ্য অর্জন হলেও গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় তা কম।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ খাতের আয় কমার প্রধান কারণ হলো প্রতিযোগী দেশগুলো কম দামের চিংড়ি উৎপাদন করে বাজারে কম দামে সরবরাহ করছে। এতে দেশের বাজার হুমকির মুখে পড়েছে। ভারত ও ভিয়েতনামের ভেনামি জাতের চিংড়ি চাষের কারণে বাংলাদেশের বাগদা ও গলদা আন্তর্জাতিক বাজার হারাচ্ছে। কেননা ভেনামি চিংড়ির দাম বাগদা ও গলদার চেয়ে তুলনামূলক কম।

About Abu Naser

Check Also

রাসায়নিক দূষণ মুক্ত নিরাপদ ব্রয়লার উৎপাদনে খামারীদের সাথে ক্যাব’র তৃণমূল সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে জীব ধারনামুলক নিরাপত্তা, কাঠামোগত নিরাপত্তা ও প্রায়োগিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *