Wednesday , November 21 2018
সর্বশেষ
Home / ক্যাম্পাস / সিকৃবির এক যুগঃ শিক্ষার্থীবান্ধব হবে কি?

সিকৃবির এক যুগঃ শিক্ষার্থীবান্ধব হবে কি?

রাত ১২ টা পার হলেই সিকৃবির জন্মদিন। এক যুগ হয়ে গেল! ছোট্ট এক বিশ্ববিদ্যালয় হাটি হাটি পা পা করে ১৩তম বছরে পা দিচ্ছে। যদিও সিকৃবির আদি, সিলেট সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের বয়স কম না। দুই দশক পেরিয়ে গেছে। অনেক বেশি ঘুরাঘুরি করি, তাই অনেকগুলো বিশ্ববিদ্যালয় দেখার সুযোগ হয়েছে। সহজেই হিসেব করতে পারি আমার বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় অর্জন কি? সেটা নিয়ে চিন্তা করতেই প্রথমেই মনে আসলো সেশনজটমুক্ত! সারাদেশে গুটিকয়েক বিশ্ববিদ্যালয় আছে সেশনজটমুক্ত। তার মধ্যে সিকৃবি! ভাবতেই ভালো লাগে। ছোট বিশ্ববিদ্যালয় হলেও ছয়টি ফ্যাকাল্টি, ক্লাসরুম সংকট প্রথমে থাকলেও এখন আর নেই। প্রায় সবারই পৃথক পৃথক অনুষদীয় ভবন হয়েছে এবং ডিভিএম এর দুটি অনুষদীয় ভবন। বিভাগ ভিত্তিক ল্যাব অনেক উন্নত হয়েছে। বিশেষকরে আমাদের মেডিসিন বিভাগের ল্যাবে নিয়মিত মোলিকুলার লেভেল এর কাজ হচ্ছে। সিকৃবির প্রাণ ছাত্র ছাত্রীদের সৃজনশীল চিন্তাভাবনা। অনেক সৃজনশীল উদ্যোগ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরিচিতি দিয়েছে দেশজুড়ে। গবেষনায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উন্নতি খুবই কম, তাই সিকৃবি যে এ ক্ষেত্রে খুব এগিয়ে যাবে, এমন না।
সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ভাবতে  প্রথমেই মনে আসলো, ছাত্র-ছাত্রীদের সুযোগ সুবিধা দিতে যে অনীহা, সেটা আর কোথাও নেই। আজও দেখলাম ছাত্র-ছাত্রীরা ইয়ারড্রপের বিরুদ্ধে নিরব যুদ্ধ হিসেবে নীল ব্যাজ পরিধান করেছে। কতো ছেলে মেয়ে যে ঝড়ে পড়ে এই ইয়ারড্রপ ব্যবস্থায়। যে ছেলে-মেয়েটির দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় বর্ষে ইয়ারড্রপ হয়, সে পরের একটি বছর করবেটা কি?? তাঁর সাথে তো বিশ্ববিদ্যালয়ের এই এক বছর কোন সম্পর্কই থাকে না। সে যদি বিপথগামী হয় কিংবা দড়িতে ঝুলে পড়ে, এর দোষ কি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপর বর্তাবে না?? ক্লাস ছাড়া কেবল সীট পড়েইতো সেই বিষয় আবার পরীক্ষা দেয় ছাত্র-ছাত্রীরা। তাঁরা কি এতেই ঐ বিষয়ে পারদর্শী হয়ে যাচ্ছে? এক বছর ছাত্র-ছাত্রীদের ক্লাস, পড়া থেকে দূরে রেখে আপনারা কি পড়ার প্রতি ঝোঁক বাড়াচ্ছেন নাকি কমাচ্ছেন? আরেকটি ভাবার বিষয় হচ্ছে, কিছু নির্দিষ্ট শিক্ষকের বিষয়েই কেন বারবার শিক্ষার্থীরা ফেল করে?? তাহলে ঐ শিক্ষক হয় পড়াননা নতুবা শিক্ষার্থীরা উনার পড়ানো বুঝে না।এ ছাড়াতো একই শিক্ষকের বিষয়ে ফেল করার কারণ দেখি না। যদি ফেইলইবা করে তবে পরের বর্ষে সেগুলো ক্লিয়ার করার সুযোগ দেওয়া হোক। একান্তই যদি কেউ না পারে তবে শেষ বর্ষে তাঁর ইয়ার লস হবে। পরের সমস্যাগুলো গতানুগতিক। শিক্ষার্থীদের জন্য হল সংকট ছিলো এখনো আছে। সিট বরাদ্ধের ব্যাপারেও পরিষ্কার নির্দেশনা থাকা দরকার। আমাদের সময়েই প্রতিষ্ঠিত সিভাসুতে কিন্তু সবই পরিষ্কার নির্দেশনা থাকে। বাস সংকটও প্রবল। জায়গা সংকট চরমে, ধীরে ধীরে আমাদের একমাত্র লেকটিও ভরাট করা হচ্ছে। অনুষদীয় ভবন এবং হলগুলো গিজগিজে হয়ে গেছে যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষিনের বিশাল অংশ খালি। টিলার সাথে সামঞ্জস্য রেখে উন্নয়ন করা যেতে পারে।বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক দ্বিপাক্ষিক চুক্তি অনেক কম।সেদিকে মনোনিবেশ দরকার। তা সত্ত্বেও সিকৃবির অর্জন কম নয়।

 

প্রাণিসম্পদ ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এবং কৃষি বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রসরমান বিশ্বের সাথে সঙ্গতি রক্ষা ও সমতা অর্জন এবং জাতীয় পর্যায়ে উচ্চতর শিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি, আধুনিক জ্ঞানচর্চা এবং কৃষি বিজ্ঞানের সহিত সম্পর্কযুক্ত আনুষঙ্গিক অন্যান্য বিষয়ে শিক্ষাদান, গবেষণাকার্য পরিচালনা, নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও জাতির কল্যাণে হস্তান্তরের জন্য প্রতিষ্ঠিত সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় অর্জন করেছে অনেক সাফল্য। কৃষিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক বুনিয়াদ সুদৃঢ়রূপে প্রতিষ্ঠিত করতে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি) দেশে উন্মোচন করেছে নতুন সম্ভাবনার দ্বার ।

সিলেট শহরের অদূরে টিলাগড়ের উত্তর পাশের চিরসবুজে ঘেরা নয়নাভিরাম নৈসর্গিক পরিমন্ডলে প্রায় ৫০ একর জায়গা জুড়ে বিস্তৃত সিকৃবি ক্যাম্পাস। এর মধ্যে ২০ একর ভূমি পাহাড় ও সবুজ টিলা বেষ্টিত। দেশে ভেটেরিনারি এন্ড অ্যানিম্যাল সায়েন্সের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালে লাইভস্টক ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের জায়াগাসহ অবকাঠামো এবং জেলা দুগ্ধ খামারের ৩৫ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠা করা হয় সিলেট সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ। পরবর্তীতে মহান জাতীয় সংসদে “সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়” বিল পাস হয়ে ২০০৬ সালের ২ নভেম্বর আরো ১৫ একর জমি বাড়িয়ে ভেটেরিনারি কলেজকে রূপান্তর করা হয় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।এক্ষেত্রে প্রয়াত এম সাইফুর রহমান সাহেবের অবদান ভুলার নয়। লোকসানি প্রতিষ্ঠান ডেইরি ফার্মের অব্যবহৃত জমি আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়কে দিতে পারতো সরকার।

হরতাল ও অবরোধে ক্লাস,পরীক্ষা হওয়ায় সেশনজট মুক্ত সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। হরতালের দিনেও ক্লাস, পরীক্ষা নেয়ায় সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬টি অনুষদের পড়াশোনা চলছে বেশ ভালো ও সেশনজট মুক্ত। যা অনুকরনীয় যেকোন বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বুদ্দিদীপ্ত,শক্ত অবস্থানের কারনে তা সম্ভব হয়েছে। যা প্রশংসনীয়।

বর্তমানে ভেটেরিনারি, অ্যানিম্যাল এন্ড বায়োমেডিকেল সায়েন্সস অনুষদের ২৪তম ব্যাচ পড়ছে। গ্র্যাজুয়েটরা স্বস্থানে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। রয়েছে অত্যাধুনিক ল্যাব এবং প্রাকটিস করার জন্য ভেটেরিনারী ক্লিনিক্স। দিনে দিনে ল্যাবকে আরও উন্নততর করা হচ্ছে। আন্তর্জাতিক মানের ভেটেরিনারী ক্লিনিক্স এর কাজ শেষের পথে। আট সেমিস্টারের একাডেমিক পড়ালেখা শেষে এক বছরের ইন্টার্ন ডাক্তার হিসেবে কাজ করতে হয় বিভিন্ন জায়গায়। দীর্ঘ একমাস ইন্টার্ন ডাক্তার হিসেবে ভারতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো হয়। ইন্টার্ন অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রতিমাসে বৃত্তি দেওয়া হয়।

বর্তমানে কৃষি অনুষদের ১১ম ব্যাচ পড়ছে। পাশ করেছেন অনেক গ্র্যাজুয়েট। তারা স্বস্থানে যোগ্যতার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন। নতুন নতুন হাইব্রীড উৎপাদনের জন্য পরিশ্রম করে চলেছেন। বারমাস জন্মে টমেটো,শিম এবং ক্যাপসিকাম সিকৃবির কৃষি অনুষদের গবেষণাগার মাঠেই উৎপাদিত। গবেষনা চলছেই। আনন্দের সংবাদ হচ্ছে কৃষি অনুষদের প্রধান সমস্যা গবেষনা মাঠের অভাব মেটাতে সিলেট বি কে এস পির পাশে ইউ জি সি থেকে জমি অনুমোদিত হয়েছে। আর জ্ঞানকে সমৃদ্ধি করতে নিয়মিত শিক্ষা সফর থাকে। ভারতেও এক সপ্তাহের শিক্ষা সফর হয়।

বর্তমানে মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ১১ম ব্যচ পড়ছে। বিশাল জনসংখ্যার প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে মাছে ভাতে বাঙালির মাছ ব্যতীত আর কি প্রিয় হতে পারে? কিন্তু ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার ফলে যেমনি কমে যাচ্ছে প্রাকৃতিক মাছের উৎপাদন তেমনি চাহিদা বেড়েছে কয়েকগুন। সি কৃ বি’র মৎস্য বিভাগ চালিয়ে যাচ্ছে গবেষনা। অনেক প্রজেক্টের কাজও করছেন তারা। তামাবিল বাইপাস রাস্তার উত্তরপাশে বিকেএসপি-এর পূর্বপ্রান্তে বহি:ক্যম্পাসের জন্য যে ১২.২৯ একর জমি পেয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় সেখেনে মৎস্য হ্যাচারির কাজ শেষ প্রায়।
দু:খজনক হলেও সত্য, সে জায়গাটি অনেক গভীর এবং ব্যবহার উপযোগি করতে কতো সময় যে লাগে!

বর্তমানে কৃষি প্রকৌশল এবং কারিগরি অনুষদের ৭ম ব্যাচ পড়ছে। অনুষদ হওয়ার সাত বছরে তারা অতি দ্রুত এগুচ্ছে। দেশে কৃষি বিপ্লব গঠাতে প্রযুক্তির সহায়তা ছাড়া বিকল্প নেই। কৃষিতে প্রযুক্তির সহায়তা দিতে তারা কাজ করে যাচ্ছে।
কৃষি অর্থনীতি ও ব্যসায় শিক্ষা এবং জেনেটিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকলজি অনুষদও পিছিয়ে নেই।
তবে দরকার গবেষনার জন্য জায়গা। বর্তমানে ছয়টি অনুষদের আওতায় ৪৭ টি ডিপার্টমেন্টের তত্ত্বাবধানে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তাছাড়া এ বিশ্ববিদ্যালয়ে তিনটি বিশেষ বিভাগ রয়েছে যা অন্য কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে নেই। বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চল তথা সিলেটের কথা চিন্তা করে বিভাগ দুটি খোলা হয়েছে। এগুলো হল-(১) হিল এন্ড হাওর এগ্রিকালচার (২) কোস্টাল এন্ড মেরিন সায়েন্স এবং (৩) ইপিডেমিওলজি এন্ড পাবলিক হেলথ (এভাবে কম্বাইন্ড আর কোথাও নেই)। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাজুয়েটরা সবাই স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ উজ্জ্বল করে আছে। শিক্ষক-শিক্ষার্থী মধুর সম্পর্ক সফলতার গতিকে বেগবান করছে।

নতুনভাবে আরও ডিপার্টমেন্ট বৃদ্ধি করা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল প্রশাসনিক ভবন ১টি, ৫টি অনুষদ ভবন, ৪টি ছাত্র হল এবং ২টি ছাত্রী হল রয়েছে। শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারীদের জন্য রয়েছে ৩ টি আবাসিক ভবন। কর্মচারীদের জন্য রয়েছে ৪ টি আবাসিক ভবন ও ২টি ডরমেটরি। আর রয়েছে ১টি মসজিদ। শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং গবেষকদের জন্য রয়েছে ৭ হাজার ২০০ গ্রন্থ এবং ৭২৫টি সাময়িকী সমৃদ্ধ গ্রন্থাগার । নতুন অনেকগুলো দালানের কাজ দ্রুতগতিতে এগুচ্ছে। ই-লাইব্রেরী হওয়ার পথে।

তরুণ ভেটেরিনারিয়ানদের হাতে কলমে শিক্ষা দেয়ার জন্য ভার্সিটির পাশেই রয়েছে SYLHET GOVERNMENT DAIRY FARM, GOVERNMENT GOAT FARM , GOVERNMENT POULTRY FARM, রয়েছে অত্যাধুনিক ল্যাব ।

সব ক্লাসরুমে বসানো হয়েছে মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর । মাল্টিমিডিয়া , বোর্ড এবং শিক্ষকগণের লেকচারের মিলিত প্রয়াসেই হয় পূর্ণাঙ্গ জ্ঞান অর্জন ।

এখন পর্যন্ত অনেক গবেষণা ও প্রকল্প সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে। HEQEP (Higher Education Quality Enhancement Project) এর আওতায় তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট সম্পন্নহয়। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্চ সিস্টেম(সাউরেস) এর মাধ্যমে BRAC, UGC সহ অন্যান্য সংস্থার অর্থায়নে গবেষনা প্রকল্প সম্পন্ন হয়। সিলেটেসহ সারা বাংলাদেশে জুলাই থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত কোন টমেটো পওয়া যেত না। সিকৃবির গবেষক ড.শহিদুল ইসলাম স্যারের গবেষণার মাধ্যমে সারা বছর ধরে টমেটো, শীমসহ বিভিন্ন সবজি চাষের পদ্ধতি উদ্ভাবন করা হয়েছে। এটাও এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম সফলতা।
প্রাণি এবং মানুষের যক্ষা নিয়ে গবেষনা করে ইউজিসি এওয়ার্ড পেয়েছেন প্রফেসর ড. মাসুদুর রহমান স্যার। এটিও সিকৃবির ইতিহাসে অনেক বড় অর্জন।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের বেশ কয়েকটি সংগঠন লেখাপড়ার পাশাপাশি মননশীলতার বিকাশ ও সিলেটের সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এর মধ্যে প্রাণি অধিকার ও জীববৈচিত্র্য রক্ষার সংগঠন ‘প্রাধিকার’, ক্যাম্পাসের সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘কৃষ্ণচূড়া’, ‘বিনোদন সংঘ’, ‘সিকৃবি ফটোগ্রাফিক সোসাইটি’, সাংস্কৃকিত সংগঠন ‘মৃত্তিকা’, পথশিশুদের শিক্ষা দেয়ার জন্য সিকৃবি ছাত্রদের সংগঠন ‘একুশ’, থিয়েটার লুব্ধক, মিউজিক্যাল সংগঠন “মেট্রোনম”।

এবারই প্রথম সিকৃবি পেয়েছে নিজস্ব উপাচার্য প্রফেসর ডঃ মতিয়ার রহমান হাওলাদার। তাঁর হাত ধরে সিকৃবি এগিয়ে যাক যুগের সাথে তাল মিলিয়ে। বাংলাদেশের তথা সিলেট অঞ্চলে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ উন্নয়নে বিপ্লব আসুক। যার কর্ণধার হবে এই ক্যাম্পাসের যোগ্য গ্র্যাজুয়েটরা, এই আশা সবসময় আমাদের। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের জন্যই শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারি। তবে কেন শিক্ষার্থীদের সমস্যাগুলো গুরুত্বসহকারে দেখা হবে না?? শিক্ষার্থীবান্ধব হোক বিশ্ববিদ্যালয়। QS world ranking এ আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় জায়গা পাক, এই আশা করতেই পারি।
শুভ জন্মদিন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।
————————————–—
মনজুর কাদের চৌধুরী

About Publisher

Check Also

ডেইরী শিল্পে সফলতার অপর নাম “কৃষিবিদ ডেইরী ফার্ম”

অনিক অাহমেদ, সাভার, ঢাকা: দেশের ক্রমবর্ধমান মানুষের প্রাণিজ অামিষের চাহিদা পূরণে ব্যাপক ভূমিকা পালন করে …

One comment

  1. চমৎকার লেখনী!
    এগিয়ে যাক প্রাণের ক্যাম্পাস 🙂

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *