Tuesday , February 19 2019
সর্বশেষ
Home / কৃষি গবেষনা / গমের বীজে কালো দাগ রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার ব্যবস্থা

গমের বীজে কালো দাগ রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার ব্যবস্থা

বাংলাদেশে খাদ্য ফসল হিসাবে গম দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে । খাদ্যমানের দিক থেকে গম চালের চেয়ে পুষ্টিকর। চালের তুলনায় গমে প্রোটিন, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থের পরিমান বেশী। অপরদিকে গম চাষে পানির প্রয়োজন ধানের তুলনায় খুবই কম। যে জমিতে সেচের সুবিধা নেই অথচ মাটিতে যথেষ্ট পরিমানে রস থাকে সে জমিতে বিনা সেচেও সফলভাবে গম চাষ করা যায়। কিন্তু গমের রোগবালাই গম চাষের একটি অন্যতম প্রতিবন্ধক। এব ফলে গমের যথেষ্ট ক্ষতি সাধন হয়। এ পর্যন্ত গমের ১৫টি রোগ সনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে অধিকাংশই ছত্রাক জনিত। গমের রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখতে পারলে গমের উৎপাদন অনেক বৃদ্ধি পাবে। নিন্মে গমের মারাত্মক একটি রোগ সম্পর্কে বর্নণা করা হল।

  

বীজে কালো দাগ রোগ (Black point)

রোগের কারণঃ বাইপোলারিস সরোকিনিয়ানা (Bipolaris sorokiniana) নামক ছত্রাক দ্বারা এ রোগ হয়ে থাকে।

রোগের বিস্তারঃ

গম পরিপক্কতার সময় যদি বৃষ্টি হয় অথবা বাতাসে জলীয় বাষ্প অধিক থাকে তবে এ রোগের আক্রমণ অধিক হয়ে থাকে। রোগাক্রান্ত বীজের অংকুরোদগম ক্ষমতা কমে যায় এবং অনেক সময় খাওয়ার অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

রোগের লক্ষণঃ

  • এ রোগের সনাক্তকারী প্রধান লক্ষণ হল বীজের ভ্রুণে কালো দাগ পড়ে।
  • এ দাগ ছত্রাক দ্বারা ভ্রুণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার ফলে সৃষ্টি হয়।

 

রোগের  প্রতিকারঃ

  • বৃষ্টি শুরুর আগেই ফসল সংগ্রহ করতে হবে।
  • গম পরিপক্কতার পর জমিতে সেচ প্রদান থেকে বিরত থাকতে হবে।
  • রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে প্রোপিকোনাজোল (টিল্ট ২৫০ ইসি) প্রতি লিটার পানিতে ০.৫ মিলি হারে মিশিয়ে ১০ দিন পর পর ২-৩ বার স্প্রে করতে হবে।

 

বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান
উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব)
মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই
শিবগঞ্জ, বগুড়া।
মোবাইলঃ ০১৯১১-৭৬২৯৭৮
ইমেইলঃ zaman.path@gmail.com

About Editor

Check Also

তিতাসে উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তাগনের ২য় শ্রেনীর মর্যাদা প্রাপ্তিতে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের দ্বিতীয় শ্রেনির সম্মান” এ স্লোগান কে সামনে রেখে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *