Tuesday , February 19 2019
সর্বশেষ
Home / ক্যাম্পাস / প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জিটিআই পরিচালকের

প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জিটিআই পরিচালকের

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (জিটিআই) পরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, সহকর্মীদের সাথে খারাপ ব্যবহারসহ নানা অভিযোগে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন জিটিআই পরিচালক প্রফেসর এ.কে.এম. রফিকুল ইসলাম।

বুধবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এগ্রিভিউ24.কম-এ প্রতিবাদ লিপি পাঠান জিটিআই পরিচালক প্রফেসর এ.কে.এম. রফিকুল ইসলাম।

প্রতিবাদ লিপিতে প্রফেসর এ.কে.এম. রফিকুল ইসলাম জানান, বিগত ১২-০৯-২০১৮ ইং তারিখে কয়েকটি জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা ও ভুল তথ্য সংবলিত সংবাদ ছাপানো হয়। যার দরুন আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ও বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ট্রেনিং ইন্সটিটিউট (গ্রাজুয়েট ট্রেনিং ইন্সটিটিউট) এর পরিচালক হিসাবে দায়িত্ব পালন করায় বিশ্ববিদ্যালয় তথা উক্ত প্রতিষ্ঠানের ও সুনাম নষ্ট হয়েছে। একটি ভুল ও মিথ্যা তথ্য সংবলিত নিউজ আমার মান সম্মান ও পদমর্যাদাকে পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে ব্যপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।

ট্রেনিং করানোর মাধ্যমে পছন্দমত শিক্ষকদের ট্রেনিং কো-অর্ডিনেটর বানানো এবং জিটিআই ডরমিটরির ৮টি গাছ কর্তন এবং ব্যক্তিগত কাজে গাড়ী ব্যবহার প্রসঙ্গে তিনি বলেন – বিষয়গুলো সম্পূর্ণ বানোয়াট, প্রকৃত সত্য হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থায়নে পরিচালিত প্রশিক্ষণের কর্মসূচী ও বাজেট জিটিআই-এর বোর্ড অভ্ কো-অর্ডিনেশান কমিটির মাধ্যমে নির্ধারিত হয় এবং বহিঃসংস্থার অর্থায়নে পরিচালিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচী ও বাজেট বহিঃসংস্থার নির্ধারিত নিয়মে অনুষ্টিত হয়। এক্ষেত্রে পরিচালক মহোদয়ের নিজস্ব কোন একক সিদ্ধান্ত নেয়ার সুযোগ নেই, তাছাড়া কোর্স ডিরেক্টর এর ব্যাপারটি পূর্ব থেকেই প্রচলিত ছিল। ৮টি গাছ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির লিখিত অনুমতি সাপেক্ষে স্থল ও পরিকল্পনা শাখা কর্তৃক কর্তন করা হয় এবং যথাযথ নিয়মে তা দ্বারা জিটিআই ডরমিটিটরির খাট বানানো হয়, এ ক্ষেত্রে অতিরিক্ত কিছু কাঠ স্থল ও পরিকল্পনা শাখা ও বাহির থেকে ক্রয় করতে হয়েছে। সুতরাং উক্ত কাঠ দিয়ে নীজের ফার্নিচার বানানোর প্রশ্নই আসেনা । অফিসের গাড়িটি অফিসের কাজেই ব্যবহৃত হয়, ব্যক্তিগত কোন কাজে ব্যবহৃত হয়না, লগ বই তার প্রমাণ।

তিনি আরোও বলেন, বিগত ১৬ মাস যাবত অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে জিটিআই এর কার্যক্রম পরিচালনা করায় একটি কুচত্রুী মহল আমার দীর্ঘদিনের সুনাম, যশ, খ্যাতিকে ক্ষুন্ন করার জন্য এ ধরনের ঘৃন্য এবং মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করেছে। আমি সরকারের উন্নয়নের ও অগ্রগতির সাথে তাল মিলিয়ে আমার মেধা দিয়ে এই ইনসিটটিউটের সুনাম বৃদ্ধিতে চেষ্টা করছি যা ভবিষ্যতে আরো প্রসারিত হবে। আমি এ ধরনের ঘৃন্য ও মিথ্যা সংবাদ এর তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, বিগত ১২-০৯-২০১৮ ইং তারিখে বেশ কয়েকটি জাতীয় ও অনলাইন পত্রিকায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) গ্র্যাজুয়েট ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (জিটিআই) পরিচালকের বিরুদ্ধে অনিয়ম, দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাত, সহকর্মীদের সাথে খারাপ ব্যবহারসহ নানা অভিযোগে সংবাদ প্রকাশিত হয়।

About Editor

Check Also

যবিপ্রবিতে এক শিক্ষার্থী সাময়িক বহিস্কারঃ ছাত্র রাজনীতি সাময়িকভাবে স্থগিত

যবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ উচ্ছৃঙ্খল ও অছাত্রসুলভ আচরণ প্রমাণ হওয়ায় যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) ফিশারিজ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *