Tuesday , February 19 2019
সর্বশেষ
Home / মৎস্য / মাছ চাষে ক্ষারীয় পানির প্রভাব

মাছ চাষে ক্ষারীয় পানির প্রভাব

যে সব পদার্থ ক্ষারীয় বৈশিষ্ট্য বহন করে তারাই ক্ষার। যেমন – পাথুরে চুন ( ক্যালসিয়াম অক্সাইড), কৃষি চুন ( ক্যালসিয়াম কার্বোনেট) , ডলো মাইট ( ক্যালসিয়াম ম্যাগনেসিয়াম কার্বোনেট) , স্লেট লাইম ( ক্যালসিয়াম হাইড্রো আক্সাইড) ইত্যাদি।

পানির মোট ক্ষারকত্ব কম থাকলে ভোরে পানির পিএইচ ৬–৭.৫ থাকে এবং এরূপ পানিতে ফাইটোপ্লাংক্টনের পরিমান বা ঘনত্ব বেশি থাকলে বিকালে পিএইচ বৃদ্ধি পেয়ে ১০ বা তার বেশি হয়ে থাকে । পক্ষান্তরে ক্ষারকত্ব বেশি থাকলে পানির পিএইচ উঠানামার পরিমান বেশি হয় না । এরূপ ক্ষেত্রে ভোরে পানির পিএইচ সাধারনতঃ ৭.৫–৮ এবং বিকালে ৯–১০ হয়ে থাকে ।

কোন কোন জলাশয় বা পুকুরে অধিক ক্ষারকত্ব এবং কম খরতা (Hardness) থাকে বিধায় সে সব জলাশয়ে ফাইটোপ্লাংক্টনের পরিমান বেশি থাকলে পানির পিএইচ দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিকালে ১১ এর উপরে উঠে যায় । ক্ষারকত্ব কম থাকলে পিএইচ দিনের বিভিন্ন সময়ে উঠানামার পরিমান বেশি কিন্তু ক্ষারকত্ব বেশি থাকলে পিএইচ উঠানামার পরিমান কম হয়ে থাকে, কিন্তু পিএইচ মান ১১ এর উপরে থাকলে মাছ দ্রুত মারা যায়, পিএইচ বেড়ে গেলে নিম্ন লিখিত সমস্যা হতে পারেঃ –
ক) ফুল্কা নষ্ট হয়ে যায়
খ) চোখের লেন্স এবং কর্নিয়া নষ্ট হয়ে যায়,
গ) পুকুরের প্রাকৃতিক খাদ্যের উৎপাদন হ্রাস পায়
ঘ) অসমোরেগুলেশন ক্ষমতা হ্রাস পায়, ফলে মাছ দুর্বল হয়ে মারা যায়
ঙ) মাছ ও চিংড়ীর রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও খাবারের রুচি কমে যায়
চ) প্রজনন ক্ষমতা কমে যায়।

লেখকঃ

মো. সালাহ উদ্দিন সরকার তপন
ব্যবস্থাপনা পরিচালক
এডভান্স এগ্রোটেক লিমিটেড (বাংলাদেশ)

About Mostafizur Rahman

Check Also

ডিজিটাল লগার মাছ চাষকে বেগবান করবে

মো. শাহীন সরদার, বাকৃবি প্রতিনিধি: মাছের সুস্থতা ও স্বাভাবিক অবস্থার জন্য পুকুরের পানির তাপমাত্রা, পিএইচ (অম্লীয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *