Wednesday , February 20 2019
সর্বশেষ
Home / ক্যাম্পাস / জিল হোসেনের পাশে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা

জিল হোসেনের পাশে বাকৃবি শিক্ষার্থীরা

বাকৃবি প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৬৮-৬৯ শিক্ষাবর্ষের কৃষি অনুষদের ছাত্র জিল হোসেন। ১৯৭৩ শিক্ষাবর্ষে গ্রাজুয়েট হওয়ার কথা জিল হোসনের। পরে আদালতের রায়ে দীর্ঘ ২৩ বছর পর তাকে ১৯৯৭ সালে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রী দেওয়া হয়। ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে প্রায় ২ কোটি টাকা দেয়ার কথা হলেও আজ অব্দি মীমাংসা হয়নি জিল হোসেনের বিষয়টি।

জানা যায়, জিল হোসেনকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রসাশন অন্যায়ভাবে ডিগ্রী প্রদান থেকে বিরত রাখলে তিনি আইনের সহযোগিতা নেন। এসময় আইনী লড়াইয়ে বিজয়ী হলেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পাল্টা আপিল করে। পরে আদালতের রায় হলে দীর্ঘ ২৩ বছর পর ১৯৯৭ সালে তাকে গ্রাজুয়েশন ডিগ্রী দেওয়া হয়।

এরপর ক্ষতিপূরণ মামলা করলে আদালত তার ক্ষতিপূরণ হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে প্রায় ২ কোটি টাকা দেয়ার নির্দেশ দেয়। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন পরবর্তীতে উচ্চ আদালতে আপিল করলে মামলাটি এখনও ঝুলে আছে। মামলা লড়তে গিয়ে তার নিজের ভিটে-মাটি সব বিক্রি করতে হয়েছে বলে জানান জিল হোসেন।

সম্প্রতি যমুনা টেলিভিশনের ৩৬০ ডিগ্রিতে ‘জিল হোসেনের গ্রাজুয়েশন’ নামে একটি পর্বে বিষয়টি প্রচারিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় জুড়ে নিন্দার ঝড় ওঠে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে মৌন মিছিল ও মানববন্ধনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ এবং বিভিন্ন অনুষদীয় ছাত্র সমিতি।

রবিবার বিকাল তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ কার্যালয় থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মৌন মিছিলটি বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে এক মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়।

পরে বিকাল চারটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে আরেকটি মানববন্ধনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় অনুষদীয় ছাত্রসমিতি।

এসময় মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা জিল হোসেনের প্রাপ্য সম্মান ফিরিয়ে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান জানায়।

মো. শাহীন সরদার
বাকৃবি প্রতিনিধি, ময়মনসিংহ ২২০২।
মোবাইল ০১৭৩৭৭২১৬০৩।

About Editor

Check Also

নোবিপ্রবির ২য় সমাবর্তনে স্বর্ণপদক পাচ্ছেন ১১ জন

মোঃ আল আমীন (আকাশ), নোবিপ্রবি প্রতিনিধি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) ২৪শে ফেব্রুয়ারি দ্বিতীয় …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *