Tuesday , November 13 2018
Home / ক্যাম্পাস / প্রাণীর বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন : সিকৃবি শিক্ষকের সাফল্য

প্রাণীর বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদন : সিকৃবি শিক্ষকের সাফল্য

অর্ঘ্য চন্দ, সিকৃবি প্রতিনিধিঃ সুষ্ঠ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে গবাদিপশুর পশুর পাকস্থলীর বর্জ্য ও রক্ত সার হিসেবে ব্যবহারের পাশাপাশি বায়োগ্যাস উৎপাদনসহ মাছের খাবার হিসেবে ব্যবহারেরও সুযোগ রয়েছে। বাংলাদেশের গবাদিপশুর পাকস্থলির বর্জ্য থেকে বায়োগ্যাস উৎপাদনে সফল হয়েছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্ম পাওয়ার এন্ড মেশিনারি ডিপার্টমেন্টের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন । গবেষণালব্ধ ফলাফল থেকে দেখা যায় প্রতি কেজি মুরগীর বর্জ্য থেকে ২৭.২০ মি.লি., প্রতি কেজি গরুর বর্জ্য থেকে ২.৫ মি. লি., প্রতি কেজি ছাগলের বর্জ্য থেকে ৩৯.০০ মি. লি. এবং গরু, ছাগল ও মুরগীর সম্বনিত বর্জ্য থেকে ৭৪.১০ মি. লি. বায়োগ্যাস বা মিথেন পাওয়া সম্ভব।

অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও রয়েছে প্রচুর হাস – মুরগি ও গরুর খামার। প্রতিদিন আমাদের দেশে হাজার হাজার গরু, ছাগল ও হাস- মুরগি জবাই করা হয়। কিন্তু সুষ্ঠু বর্জ্য ব্যবস্থাপনা না থাকায় এসব জবাইকৃত পশুর পাকস্থলীর বর্জ্য ও রক্ত ফেলা হয় নদীনালা বা অন্যান্য খোলা জায়গায় যা বাতাস, মাটি ও পানিকে দূষিত করে। এছাড়া এগুলো মানুষের স্বাস্থ্যের জন্যও ক্ষতিকর। উন্নত বিশ্বে নবায়নযোগ্য জ্বালানী হিসেবে বায়োগ্যাস এখন বহুল পরিমাণে ব্যবহৃত হচ্ছে। বর্জ্যভেদে শতকরা ৬০-৬৫ ভাগ মিথেন পাওয়া যায় বায়োগ্যাস থেকে। এ প্রসংগে গবেষক ড. মুহাম্মদ রাশেদ আল মামুন জানান, বর্জ্য থেকে সার উৎপাদনের পাশাপাশি পিলেট আকারে মাছের খাবার হিসেবেও ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে। সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বৃহৎ পরিসরে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হলে বাংলাদেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করা সম্ভব হবে বলেও তিনি মনে করেন।

About Editor

Check Also

ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন

বাকৃবি প্রতিনিধি : প্রথমবারের মতো বিশ্বখ্যাত ছোট জাতের ছাগল ব্ল্যাক বেঙ্গলের পূর্ণঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন  করা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *