Monday , July 23 2018
সর্বশেষ
Home / কৃষি গবেষনা / কলার পানামা রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার ব্যবস্থা

কলার পানামা রোগের লক্ষণ ও প্রতিকার ব্যবস্থা

বাংলাদেশে কলার একটি মারাত্মক গুরুত্বপূর্ণ রোগের নাম হল পানামা রোগ। বিশ্বের প্রায় সব কলা উৎপন্নকারী দেশেই এই রোগ আছে। Fusarium oxysporum নামক ছত্রাক জীবাণু দ্বারা এই রোগ হয়।

রোগের লক্ষণঃ

  • কলা গাছের বয়স ৪-৫ মাস হওয়ার পর থেকেই রোগাক্রান্ত গাছের লক্ষণ ধীরে ধীরে প্রকাশ পেতে থাকে।
  • এই রোগে আক্রান্ত হলে প্রথমে কলা গাছের বয়স্ক পাতার কিনারা হলুদ হয়ে যায়, পরে কচি পাতাতে এই লক্ষণ দেখা দেয়।
  • এরপর কালো রঙের দাগ পড়ে। বোঁটার কাছ থেকে উক্ত পাতা ঝুলে পড়ে। কিছুদিনের মধ্যে প্রায় সব পাতা শুকিয়ে যায়।
  • কোন কোন সময় গাছ লম্বালম্বি ভাবে ফেটে যায়।
  • যেসব গাছ মোচা বের হওয়ার পর আক্রান্ত হয় সেসব গাছের কলা বাড়তে পারে না।
  • পানামা রোগে আক্রান্ত ফল সমানভাবে পাকে না এবং রোগাক্রান্ত কলার ভেতর ফাপা মনে হয়।

 

প্রতিকারঃ

  • পানামা রোগ দমনের জন্য আক্রান্ত জমি থেকে চারা সংগ্রহ করা যাবে না।
  • এই রোগ দমনের জন্য রোগ প্রতিরোধী জাতের কলা গাছের চাষ করতে হবে। এর মধ্যে কিছু জাত রয়েছে যেমন : বারি কলা ১, বারি কলা ২, চম্পা জাত চাষ করতে হবে।
  • কলার চারা লাগানোর ১৫ দিন পূর্বে প্রতি গর্তে ২০০-৩০০ গ্রাম ডলোচুন প্রয়োগ করতে হবে।
  • পানামা রোগের লক্ষণ কোনো গাছে দেখা দিলে গোড়াসহ উক্ত গাছ উপড়ে ফেলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে।
  • রোপণের এক মাস পরে কার্বেন্ডাজিম জাতীয় ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে গাছের চারদিকে প্রতিমাসে একবার প্রয়োগ করতে হবে।

 

তথ্যসূত্রঃ উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইং, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

About Editor

Check Also

শেকৃবিতে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এগ্রিবিজনেসের গুরুত্ব বিষয়ক সেমিনার এবং এগ্রিবিজনেস সোসাইটির শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠিত

আবদুর রহমান রাফি: রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এগ্রিবিজনেসের গুরুত্ব এবং সম্ভাবনা বিষয়ক …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *