Sunday , August 19 2018
Home / ক্যাম্পাস / শেকৃবিতে বাড়ছে জায়ান্ট মিলিবাগের আস্তানা; অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা

শেকৃবিতে বাড়ছে জায়ান্ট মিলিবাগের আস্তানা; অতিষ্ঠ শিক্ষার্থীরা

কানিজ, শেকৃবি প্রতিনিধিঃ চলতি বছরে শেকৃবিতে আবারো হানা দিচ্ছে জায়ান্ট মিলিবাগ।সাদা রঙের এই ছোট্ট পোকাটিই এখন সাধারণ পথচারী সহ ক্যাম্পাসের জীববৈচিত্রের জন্য এক হুমকি স্বরূপ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ছোট বড় সব গাছেই Mealy bug এর ছড়াছড়ি চোখে পড়ার মত।মিলিবাগ এক প্রকার sucking insect যার কাজই হল উদ্ভিদরস শোষণ করে গাছকে ক্রমশ নিস্তেজ করে ফেলা।এর আক্রমণে একদিকে গাছের পুষ্টিহীনতা বাড়ে, অন্যদিকে পরিপুষ্ট হয় ‘গাছের উকুন’ নামে খ্যাত এই মিলিবাগ।

গতবার শুধু বিজনেস ফ্যাকাল্টি, পানির ট্যাংক-মসজিদ এরিয়ার গাছ গুলোতে ছিল তাদের দৌরাত্ম। এবছর তা পুরো ক্যাম্পাসে ছড়িয়ে যাচ্ছে। গাছের নিচে কাক বা কোন পাখি না, শুধুমাত্র এই অতিকায় সাদা পাউডারের ন্যায় পোকাগুলোর ভয়ে দাঁড়ানো যায়না।

লাইব্রেরী এলাকা সহ আশেপাশের বিভিন্ন গাছে দেখা দিচ্ছে মিলিবাগ আক্রান্ত রোগের নানা উপসর্গ।ঝরে পড়ছে ফুল,স্থগিত গাছের বৃদ্ধি।তুলা গাছে সঠিক বল ফরমেশন বা তুলা গঠন হচ্ছেনা।ক্যাম্পাসের তুলা গাছ সমূহে এ পোকার আক্রমণ সবচেয়ে বেশি।

গত দুবছর ধরে চলমান এ সমস্যার তেমন আশানুরূপ সমাধান মেলে নি।
পথচারী সহ সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত এই পোকার আক্রমনের শিকার হচ্ছেন,বেড়ে চলছে আতঙ্ক। বাদ নেই আবাসিক হল সমূহ।

গতবার পানির ট্যাংকি-মসজিদ এলাকার বড় কড়ই গাছে এসকল পোকা প্রথম দেখা গেলেও, এরপরে টিচার্স কোয়াটার আর শেরেবাংলা হলের দিকের গাছগুলোয় ছড়িয়েছিল কিছুটা।
আর এবার শুরু থেকেই মসজিদ থেকে লাইব্রেরি হয়ে নজরুল হলের সামনের গাছগুলোতেও মিলিবাগ ভরা। মসজিদের সামনে গাছগুলোর দিকেও তাকাবার দরকার হয়না, রাস্তাতেই হাটাহাটি করে এই জায়ান্ট মিলিবাগ।

এই চরম দুর্দশাগ্রস্ত অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয় কতৃপক্ষ সহ শেকৃবি কীটতত্ত্ব বিভাগের সঠিক ও দ্রুত পদক্ষেপ নেয়াটা অত্যন্ত জরুরি।
নয়ত অদূর ভবিষ্যতে সাদা পাউডারের ন্যায় এই ছোট পোকার শ্বেত আভায় ছেয়ে যাবে সবুজ শেকৃবি ক্যাম্পাস, ম্লান হবে জীবনযাত্রা।

About Abu Naser

Check Also

রোটার‍্যাক্ট ও রোটারি ক্লাবের যৌথ উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

শেকৃবি প্রতিনিধিঃ রোটারি ক্লাব অফ ঢাকা মিড সিটি ও রোটার‍্যাক্ট ক্লাব অব ঢাকা মিড সিটি …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *