Wednesday , April 25 2018
সর্বশেষ
Home / ক্যাম্পাস / হাবিপ্রবি’তে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সদস্যদের রক্তারক্তি

হাবিপ্রবি’তে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সদস্যদের রক্তারক্তি

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, হাবিপ্রবিঃ গতমাসে বসন্ত বরণ অনুষ্ঠানে এক জুনিয়র সাংস্কৃতিক কর্মীর অনুষ্ঠানে অংশগ্রহনের জেড় ধরে দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) অর্ক সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা ও ছুরিকাঘাতের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল সোমবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় ইসিই বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ফারহান ইশরাকে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাতুল ছুরিকাঘাত করেন বলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিষয়টা নিশ্চিত করেছেন। এতে তার পা ও কোমরের নিচে কাটা যায়।

আঘাত প্রাপ্ত শিক্ষার্থী ফারহান বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। লিখিত অভিযোগ ও মৌখিক সাক্ষাতকারে ফারহান জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের জিমনেশিয়ামের পাশে বিবিএর ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী রাতুল ও কয়েকজন মিলে আমার উপর অতর্কিত হামলা চালায় এবং ছুরি দিয়ে আঘাত করে। এতে আমার পা এবং কোমরের নিচে কেটে যায় এবং দ্রুত আমার বন্ধুরা হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা গ্রহন করি।

অন্যদিকে রাতুল জানান যে, গত (১৫ ফেব্রুয়ারি) ফারহান, সোহান, জাহিদ আরও কয়েকজন মিলে আমাকে হামলা করে এবং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মুখে আঘাত করে আমার নাক মুখ ফাটিয়ে দেয় ফলে প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। রাতুল জানায় গতকাল তিনি ফারহানের সঙ্গে কথা বলার জন্য ডাক দিলে ফারহান ভ্যান থেকে নেমেই প্রথমে আঘাত করে। পরবর্তীতে হাতাহাতির এক পর্যায়ে আমি কলম ও চাবি দিয়ে আঘাত করি হয়ত সেটার কারনেই কিছুটা ফারহানের দেহে আঘাত প্রাপ্ত হয়েছে।যদিও রাতুল ছুরি বা খুড়ের বিষয়টা অস্বীকার করেছেন।

অর্ক সাংস্কৃতিক সংগঠনের জোট থেকে জানান যে, গত (১৫ ফেব্রুয়ারি) মারামারি পর থেকে উভয়কে সংগঠন থেকে বহিস্কার করা হয়। এর আগেও ফারহান ও রাতুলের মধ্যে সংঘাতের ঘটনার অভিযোগ রয়েছে, রাতুলকে মারধর করায় একপর্যায়ে ফারহানের রুমে হামলা চালিয়ে ল্যাপটপ ভাংচুর করা হয়েছিল তখন বিষয়টা জ্যেষ্ঠদের হস্তক্ষেপে মিটমাট করা হয়েছিল বিষয়টা জানান অর্ক সাংস্কৃতিক জোট । তাই ওদের কোন দায় ভার সংগঠন নিবে না।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড.মো. তারিকুল ইসলাম জানান, আমরা এ বিষয়ে উভয়ের কাছ থেকে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি।এ নিয়ে মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রশাসন ৫ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ডা. মো. খালেদ হোসেন, ডি-২ হল সুপার প্রফেসর ডা. ফজলুল হক ছাত্র পরামর্শ বিভাগের পরিচালক ড. মো. তারিকুল ইসলাম এবং শেখ রাসেল হলের সুপার ড. ইমরান পারভেজকে তদন্ত কমিটির দায়িত্ব দেয়া হয়। আগামী সাত কার্য দিবসের মধ্যে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন রিপোর্ট প্রকাশ করবে এবং পরে সে অনুযায়ী দোষীদের ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে এমনটা জানিয়েছেন ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা বিভাগের পরিচালক প্রফেসর ড. তারিকুল ইসলাম।

About Editor

Check Also

পাহাড়ের কাজু বাদাম এখন জমিতে!

এগ্রিভিউ২৪ ডেস্কঃ বাংলাদেশে প্রথম কাজু বাদাম হত পাহাড়ী এলাকায়। অন্য কোথাও তেমন দেখা যেতনা। তাই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *