Wednesday , April 25 2018
সর্বশেষ
Home / কৃষি গবেষনা / মসলা জাতীয় ফসলের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা নিয়ে মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়ার বিজ্ঞানীদের সাথে আব্দুল মান্নান এমপির মত বিনিময়

মসলা জাতীয় ফসলের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনা নিয়ে মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়ার বিজ্ঞানীদের সাথে আব্দুল মান্নান এমপির মত বিনিময়

ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান, মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়াঃ গত ৫/৩/২০১৮ খ্রি: তারিখ রোজ সোমবার মসলা জাতীয় ফসলের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ কর্ম-পরিকল্পনার উপর মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়ার বিজ্ঞানীদের সাথে বীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষিবিদ জনাব আব্দুল মান্নান, এমপি মহোদয়ের এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, কর্মচারী, সাংবাদিকসহ মোট ৭০ জন।
মত বিনিময় সভায় প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন এবং বক্তব্য প্রদান করেনবীর মুক্তিযোদ্ধা কৃষিবিদ জনাব আব্দুল মান্নান, মাননীয় সংসদ সদস্য,বগুড়া-১ ও সদস্য, কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয়স্থায়ী কমিটি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত্ব করেন মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া-এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. মোঃ শফিকুল ইসলাম। সভায় আরো বক্তব্য প্রদান করেনমসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া-এর প্রাক্তন মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ কলিম উদ্দিন; কন্দাল ফসল গবেষণা উপকেন্দ্র, বগুড়া-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো: জুলফিকার হায়দার প্রধানএবংসরেজমিন গবেষণা বিভাগ, বগুড়া-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ শহিদুল আলম।স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেনকেন্দ্রেরউর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ রজব আলী।
মসলা গবেষণা কেন্দ্রের সার্বিক গবেষণা কার্যক্রমমাল্টিমিডিয়ার মাধ্যমেউপস্থাপনা করেন মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বগুড়া-এর উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাড. কে, এম, খালেকুজ্জামান।

১৯৯৬ সালে মসলা গবেষণা কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু হয়।বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকারের অধীনে ২০০৯ থেকে ২০১৭ খ্রি: পর্যন্ত মসলা গবেষণা কেন্দ্র থেকে মসলা জাতীয় ফসলের মোট ১৯ টি জাত এবং ৬২ টি বিভিন্ন প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। ২০০৯ খ্রি:-এ মসলা ফসলের উৎপাদন ছিল ১২.১২ লক্ষ মেট্রিক টন (জমির পরিমান ছিল ২.৮৫ লক্ষ হেক্টর) এবং ২০১৬ খ্রি:-এ মসলাফসলের ফসলের উৎপাদন ছিল ২৪.৮৮ মেট্রিক টন(জমির পরিমান ছিল ৩.৯৫ লক্ষ হেক্টর) (উৎস: বিবিএস)।
প্রধান অতিথি মহোদয় তার বক্তব্যে বলেন মসলা ফসলের উপর গবেষণা আরো জোরদার করতে হবে এবং উদ্ভাবিত প্রযুক্তিসমূহ কৃষকের মাঠে দ্রুত সম্প্রসারণ করতে হবে। উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।

সংবাদ দাতা

বিজ্ঞানী ড. কে, এম, খালেকুজ্জামান
উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা (উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব)
মসলা গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই
শিবগঞ্জ, বগুড়া।
মোবাইলঃ ০১৯১১-৭৬২৯৭৮
ইমেইলঃ zaman.path@gmail.com

About Editor

Check Also

পাহাড়ের কাজু বাদাম এখন জমিতে!

এগ্রিভিউ২৪ ডেস্কঃ বাংলাদেশে প্রথম কাজু বাদাম হত পাহাড়ী এলাকায়। অন্য কোথাও তেমন দেখা যেতনা। তাই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *