Monday , July 23 2018
সর্বশেষ
Home / Uncategorized / “এসো মিলি প্রাণের স্পন্দনে স্মৃতি থাকুক মায়ার বন্ধনে “

“এসো মিলি প্রাণের স্পন্দনে স্মৃতি থাকুক মায়ার বন্ধনে “

“এসো মিলি প্রাণের স্পন্দনে স্মৃতি থাকুক মায়ার বন্ধনে ”

ডা. মোস্তাফিজুর রহমান
“এসো মিলি প্রাণের স্পন্দনে স্মৃতি থাকুক মায়ার বন্ধনে ” এই আবেগকে নিয়ে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে তৎকালীন হাজী দানেশ কৃষি কলেজের তৃতীয় ব্যাচের প্রথম রিইউনিয়ন অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার ও  দুই ব্যাপী রিউনিয়নের পালিত হয়েছে।

১৯৮৯-৯০ শেসনে ভর্তি হয়ে ১৯৯৭ সালে কৃষিতে অনার্স ডিগ্রী অর্জন করেন। ক্যাম্পাস থেকে চলে যাওয়ার পরে আর ক্যাম্পাসে ফেরা হয়নি অনেকের। দীর্ঘদিনের এই চেনা পরিবেশ বারবার ফিরে আসতে চাইছে মন। কখনো সুযোগ হয় নি কখনো বা সময়ের অভাব, পারিবারিক ব্যস্ততা সব ব্যস্ততা উপেক্ষা করে প্রিয় প্রতিষ্ঠানে 20 বছর পর সবাই মিলিত হয়েছে চির সবুজ ক্যাম্পাসে।
হয়ত অনেকের 20 বছর পর আজকের দিনে প্রথম দেখা একে অপরকে দেখে জড়িয়ে ধরেছে স্মৃতি অমলিন হয়ে ভেসে আছে। কত কষ্টের স্মৃতি, কত আনন্দের স্মৃতি, বেদনার স্মৃতি চোখের সামনে ভেসে উঠছে আনন্দ আড্ডায় মেতে উঠেছে। তারা যেন আবার ফিরে পেয়েছে শৈশবকে খুনসুটিতে মেতে উঠেছে। সবাই আনন্দে আপ্লুত তেমনই একটি স্মৃতিময় দিন ছিল বিলুপ্ত হাজী দানেশ কৃষি কলেজের তৃতীয় ব্যাচের ছাত্র ছাত্রীদের। 60 জন শিক্ষার্থীর মধ্যে প্রায়ই 33 জন সাবেক শিক্ষার্থীরা তাদের শিশু পরিবার পরিজন মিলে আনন্দে মেতেছে।

সকাল দশটায় র্যালি সারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রদক্ষিণ করেন। এতে অংশগ্রহণ করেন হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যপক ড এম আবুল কাশেম, পোস্ট গ্রাজুয়েট অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান, এগ্রিকালচার এক্সটেনশন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সাইফুল হুদা, হর্টিকালচার বিভাগের অধ্যাপক ড. টি এমটি ইকবাল, এন্টোমলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. আব্দুল আহাদ, সোয়েল সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক মোশারফ হোসেন সহ তৃতীয় ব্যাচের ছাত্রছাত্রীরা।

পরে কেক কেটে অনুষ্ঠানের উব্ধোধন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মু. আবুল কাসেম। প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, বিগত ছাত্রছাত্রীরা পুণরায় মিলিত হয়েছে দেখে আমি অভিভূত। বিশ্ববিদ্যালয়ের মান উন্নয়নে সাবেক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে।

তৃতীয় ব্যাচের এক শিক্ষার্থী ও বর্তমানে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো. আবিয়ার হোসেন বলেন, দীর্ঘ দিন পরে ক্যাম্পাসে চেনা মুখগুলোকে দেখে আনন্দিত। সময়ের সাথে সাথে অনেক কিছুর পরির্তন হয়। অনেক ভবন হয়েছে, মান বেড়েছে। আরো উন্নত পরিবেশ ও মান কামনা করি।

বিকালে টিএসসিতে স্মৃতিচারণ করেন সাবেক শিক্ষার্থীরা। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কৃষিবিদ মো. নুরুল হুদা আল মামুন।
সন্ধায় হাবিপ্রবির অর্ক ও সেজুতি সংস্কৃতিক সংগঠনের এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

About Mostafizur Rahman

Check Also

বাকৃবি ক্যাম্পাসে চালু হবে ফায়ার স্টেশন, গঠিত হয়েছে তদন্ত কমিটি

বাকৃবি প্রতিনিধি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) সাফল্য ও গৌরবের ৫৭ বছর উদযাপন এবং ‘হাওর ও …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *