Sunday , December 16 2018
সর্বশেষ
Home / ক্যাম্পাস / খুবিতে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশনের মাধ্যমে মাটির লবণাক্ততা নির্ণয়ের কৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

খুবিতে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশনের মাধ্যমে মাটির লবণাক্ততা নির্ণয়ের কৌশল বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন

নূর-ই-কুতুবুল আলম রেজা, খুবি প্রতিনিধিঃ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে আয়োজিত ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন ফর সয়েল  স্যালাইনিটি ইভেস্টিগেশন শীর্ষক তিনদিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ ফায়েক উজ্জামান। খুলনার রূপসাস্থ সিএসএস আভা সেন্টারে আয়োজিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আজ ১২ই ফেব্রুয়ারি সোমবার সকালে এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. সরদার শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

খুলনা  বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বলেছেনউপকূলীয় এলাকায় কৃষি ক্ষেত্রে প্রধান সমস্যা লবণাক্ততা। নতুন প্রযুক্তি, উন্নত মাটি ও ফসল ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এই লবণাক্ততার প্রভাব হ্রাস করতে পারলে উপকূলীয় এলাকার ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে আশাব্যঞ্জক সাফল্য আসবে বলে তিনি ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন এ ক্ষেত্রে ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন ডিভাইসের ব্যবহার উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকার কৃষিতে নতুন দিগন্ত উম্মোচন করবে। লবনাক্ততার প্রভাব হ্রাসের বিষয়টি নিয়ে গবেষণার জন্য গবেষকদের প্রশংসা করেন এবং এই নতুন প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রাপ্ত ফলাফল কৃষকদের মাঝে দ্রুত পৌঁছে দিতে তিনি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর এ কে ফজলুল হক। প্রকল্পের উদ্দেশ্য ব্যক্ত করে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প প্রধান ড. মোহাম্মদ মইনুদ্দিন।

এগ্রোটেকনোলজি ডিসিপ্লিনরে উদ্যোগে তিনদিনের এ কর্মশালায় অস্ট্রেলিয়া, ভারত এবং বাংলাদেশের কয়েকটি কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক- গবেষকসহ ৩৭জন অংশ নিচ্ছেন।ত্রিদেশীয় এ গবেষণা প্রকল্পের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অংশের মূখ্য গবেষক প্রফেসর ড. মোঃ এনামুল কবীর ও সহ-গবেষক হিসেবে কাজ করছেন একই ডিসিপ্লিনের সহকারী অধ্যাপক বিধান চন্দ্র সরকার।

অত্যাধুনিক প্রযুক্তির এই ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক ইন্ডাকশন যন্ত্রটির মাধ্যমে মাটির লবণাক্ততা নির্ণয়ের কৌশল খুলনার উপকূলীয় অঞ্চলে প্রথম ব্যবহার করা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে প্রযুক্তিটি দক্ষিণাঞ্চলের কৃষিতে যোগ করবে নতুন মাত্রা। মাটির ১.৮ মিটার গভীর পর্যন্ত বিস্তীর্ণ এলাকার মাটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে স্ক্যান করে মাটির লবণাক্ততা নিরুপণ ও ম্যাপিং করতে সক্ষম। এর ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের লবণাক্ত মাটিতে বিশেষ করে রবিও খরিপ-১ মৌসুমে ফসল উৎপাদন বৃদ্ধিতে এই প্রযুক্তি যুগান্তকারী ভূমিকা রাখতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে। গবেষণা প্রকল্পটি বাংলাদেশের খুলনার দাকোপ, বরগুণার আমতলী ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গের চব্বিশ পরগণা এলাকায় পরিচালিত হচ্ছে। এই যৌথ গবেষণা প্রকল্পটিতে অর্থায়ন করছে অস্ট্রেলিয়ান সেন্টার ফর ইন্টারন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল রিসার্স ও বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন।

About Editor

Check Also

শেরপুরে কৃতি শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের সংবর্ধনা প্রদান

শেরপুরে কৃতি শিক্ষার্থী এবং মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ডিপ্লোমা কৃষিবিদদের সংবর্ধনা দিয়েছে শেরপুর জেলা ডিপ্লোমা কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *