Wednesday , October 17 2018
সর্বশেষ
Home / Uncategorized / যথাযোগ্য মর্যাদায় সিভাসুতে পালিত হয়ে গেল “সার্বজনীন বাণী অর্চনা-১৪২৪”

যথাযোগ্য মর্যাদায় সিভাসুতে পালিত হয়ে গেল “সার্বজনীন বাণী অর্চনা-১৪২৪”

সিভাসু প্রতিবেদকঃ গত ৮ই মাঘ ১৪২৪; ২২শে জানুয়ারি,২০১৮;সনাতন ধর্মাবলম্বীদের জন্য একটি বিশেষ দিন ছিল এটি। এই দিনে তারা তাদের বিদ্যার দেবী মা সরস্বতীর পূজা করে। শুক্লপক্ষের পঞ্চমী তিথিতে সকাল ৯ টায় মা সরস্বতীর পূজা শুরু হয়।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বজনীন বানী অর্চনা অনুষ্ঠানে   অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর প্রফেসর ডাঃ গৌতম কুমার দেবনাথসহ আরো অনেক শিক্ষক এবং শিক্ষিকা উপস্থিত ছিল। সকাল ১০ টার দিকে মায়ের পুষ্পাঞ্জলি দেয়া হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষিকা, শিক্ষার্থী, কর্মচারী ছাড়াও বাইরে থেকে আগত অনেক সনাতন ধর্মাবলম্বী অংশগ্রহণ করে।

এসময় সবাই দেবীর কাছে তাদের মনের ইচ্ছা তুলে ধরে। সকাল ১১টার দিকে পূজার কাজ শেষ হয়। এর পরবর্তীতে প্রসাদ বিতরণ শুরু হয় দুপুর ১২টা থেকে। এসময় অনেক মানুষ এই প্রসাদ গ্রহন করে। প্রসাদ বিতরণের কাজ শেষ হয় প্রায় ৩টার দিকে।

এর মধ্যবর্তী সময়ে অঞ্জলীর পূর্বে মহিলাদের আলপনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অনেকেই অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীদের জন্য ছিল আকর্ষণীয় পুরস্কার।

সন্ধ্যা ৬.৩০ এর দিকে শুরু হয় পুরুষদের জন্য আয়োজিত ধুনুচি নাচ প্রতিযোগিতা। এতে অনেকেই অংশগ্রহণ করে এবং বিজয়ীরা আকর্ষণীয় পুরস্কার লাভ করেন।

এর পরবর্তীতেই সন্ধ্যা ৭.০০ টায় শুরু হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এই অনুষ্ঠানে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীগণ অংশগ্রহণ করে। রাত ১০.৩০ থেকে বাইরে থেকে আগত শিল্পীগণ গান পরিবেশন করে পরিবেশকে আরো সুন্দর করে তোলে।

 

পূজা উপলক্ষে সারা বিশ্ববিদ্যালয়কে অনেক সুন্দর করে সাজানো হয়েছে। ২১শে জানুয়ারিতে রাতে দেবীকে মন্ডপে স্থাপন করা হয় এবং অনেক সুন্দর করে দেবীকে এবং মন্ডপকে সাজানো হয়েছিল।

অনেক আনন্দঘন পরিবেশে দেবীর পূজা করা হল। কিন্তু এই পরিবেশটা শুধুমাত্র ক্ষণিকের জন্য ছিল। কেননা দেবীকে বিসর্জন দেবার সময় যতই এগিয়ে আসছিল ততই সিভাসুতে যেন আবেগময় পরিবেশ তৈরি হচ্ছিল। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা দেবীকে শেষ বিদায় দেয়ার জন্য সবাই মিলে ২৩ শে জানুয়ারি বিকেল ৩.৩০ এর দিকে সিভাসু থেকে পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকতের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সন্ধ্যা ৬টার দিকে দেবীকে সমুদ্রে নামানো হয় এবং নিয়মানুযায়ী দেবীকে বিসর্জন দেয়া হয়। এসময় সবার মন ভারী হয়ে উঠেছিল কেননা আবার তাদের আগামী বছরের জন্য প্রতীক্ষায় থাকতে হবে।

পূজা সম্পর্কে অনেক শিক্ষকদের কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, পূজা খুবই ভালভাবে সম্পূর্ন করা হয়েছে কোনো বাধা বিপত্তি ছাড়াই। আর সকল অনুষ্ঠান সময়মত এবং অনেক ভাল করেই শেষ করা হয়েছে।

 

সুব্রত কুমার পাল

ডিভিএম ২২ তম ব্যাচ,সিভাসু

About Ontohin Sagor

Check Also

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম অটোমেটেট এগ্রো-ওয়েদার স্টেশন

এগ্রিভিউ২৪ নিউজ ডেস্কঃ সিলেট অঞ্চলের কৃষি আবহাওয়া সর্ম্পকিত তথ্যাদি জানার জন্য প্রথম বারের মতো স্থাপন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *