Monday , December 17 2018
সর্বশেষ
Home / প্রথম পাতা / আমার ক্যাম্পাস / বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলো বশেমুরকৃবির শিক্ষার্থীরা

বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করলো বশেমুরকৃবির শিক্ষার্থীরা

বাংলাদেশের বন্যা পরিস্থিতি এবার ভয়াবহ রূপ ধারণ করে। দেশের প্রায় ২৮ টি জেলার মানুষ পানিবন্দী হয় এবারের বন্যায়। বানভাসী মানুষের মাঝে দেখা দেয় তীব্র খাদ্য সংকট। সরকারী উদ্যোগ ছাড়াও বেসরকারীভাবে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বশেমুরকৃবির শিক্ষার্থীরা জামালপুর জেলার ইসলামপুরের বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করেন।

২৮ তারিখ সকাল ১১ টায় তারা ত্রাণ-সামগ্রী নিয়ে জামালপুর জেলার ইসলামপুরে পৌঁছান। ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ শুরু করেন বিকাল ৪.৩০ মিনিট হতে। শিক্ষার্থীদের ত্রাণ বিতরণে সাহায্য করেন সেখানকার যুবকদের একটি সংঘ, এইচ আর খান স্মৃতি সংঘ। শিক্ষার্থীরা উত্তর সিরাজাবাদ সহ আশপাশের ৪ টি গ্রামের ১৪০ টি পরিবারের মাঝে ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ করেন।

ত্রাণ-সামগ্রী বিতরণ সম্পর্কে বশেমুরকৃবির কৃষি অনুষদের শিক্ষার্থী আপেল মাহমুদ বলেন, ‘আমরা যখন বিভিন্ন পত্রিকার মাধ্যমে জানলাম যে, বন্যায় দেশের প্রায় ২৮টি জেলার মানুষ পানিবন্দী। এর মধ্যে জমালপুর অন্যতম। এখানকার বিভিন্ন ( ৬ টি উপজেলার) প্রায় ৬-৮ লক্ষ লোক বন্যায় তাদের সবকিছু হারিয়ে, খোলা আকাশের নিচে, অথবা উচু রাস্তায়, অথবা বিভিন্ন স্কুল কলেজে অত্যন্ত নিম্নমানের পরিবেশে মানবেতর জীবনযাপন করছে। তখন আমরা পরীক্ষার মধ্যেই উদ্যোগ নিলাম তাদের জন্য কিছু করার। আমরা ছাত্র ডরমেটরি গুলো ঘুরে ঘুরে বন্যার্তদের জন্য তহবিল সংগ্রহ শুরু করলাম। সামান্য পরিমাণ তহবিল সংগ্রহ করতে পেরেছিলাম তাদের জন্য। পরীক্ষা শেষ হলে বেরিয়ে পরলাম জামালপুরের ইসলামপুরের উদ্দেশ্যে। আমরা সেখানে গিয়ে পৌছলাম ২৮ তারিখ সকাল ১১ টায়। আমাদের সাহায্য করেছিল সেখানকার একটি যুবকদের সংঘ, এইচ আর খান স্মৃতি সংঘ। তারা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে আমাদেরকে সাহায্য করেছিলো। আমাদের সামান্য সহযোগিতা বন্যার্তদের জন্য আসলে খুবই অপ্রতুল, তারপরেও আমরা আমাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ করতে পেরেছিলাম।’

About Abu Naser

Check Also

সরিষা ক্ষেতে কৃত্রিম পদ্ধতিতে মধু চাষ করছেন নওগাঁর শিক্ষিত যুবকরা

দিগন্ত জুড়ে ফসলের মাঠ। যতদুর চোখ যায় শুধু হলুদ আর হলুদ রঙে মাখামাখি। এ যেন …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *