Tuesday , November 13 2018
Home / এগ্রিবিজনেস / “আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ২০-২৫% গ্রোয়িং” একান্ত সাক্ষাৎকারে তরুন উদ্যোক্তা কাজী সাইদ (শেষ পর্ব)

“আমাদের ইন্ডাস্ট্রি ২০-২৫% গ্রোয়িং” একান্ত সাক্ষাৎকারে তরুন উদ্যোক্তা কাজী সাইদ (শেষ পর্ব)

কর্পোরেট জগৎ এর পরিচিত মুখ, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)  তথা তৎকালীন সিলেট সরকারি ভেটেরিনারী কলেজ(সিসভেক) এর প্রথম ব্যাচের ছাত্র, এই বছর ভেটেরিনারী ডে তে যাদের উদ্যোক্তা এওয়ার্ড দেওয়া হয়েছে তাদের অন্যতম, অনুকরণীয় উদ্যোক্তা, কাজী এগ্রো লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডাঃ কাজী আবু সাইদের সাক্ষাৎকার নিয়েছেন এগ্রিভিউ২৪ এর  সহকারি সম্পাদক মনজুর কাদের চৌধুরী, সাথে ছিলেন সহকারি প্রকাশক মাহফুজ রহমান আদনান। আজকে তাঁর সাক্ষাৎকারের শেষ পর্ব দেয়া হল। যারা প্রথম অংশ পড়েননি, তারা “উদ্যোক্তা হতে হলে টাকা মুখ্য নয়” একান্ত সাক্ষাৎকারে কাজী সাইদ, এই পর্বটি পড়ে আসতে পারেন। আজ প্রকাশিত হল শেষ পর্ব—

এগ্রিভিউ২৪ঃ এতো হতাশা ছিল ক্যাম্পাস লাইফে। DVM  পড়ায়, এখন কি সন্তুষ্ঠ?

কাজী সাইদ ঃ (হাসি) না না, এখন ঠিক আছে। আসলে আমাদের সমাজটারও একটা ব্যাপার আছে। এখন যেটা হচ্ছে সারা পৃথিবী ঘুরে যদিও সারা পৃথিবী ঘুরিনি যতটুকু ঘুরেছি তা দেখে realize করি, কেন আমাদের দেশে মানুষ এভাবে দেখে! আসলে মানুষের জন্য যখন খাদ্য, বস্ত্র, বাসস্থানের নিশ্চয়তা নেই। সেখানে মানুষ animal এর জন্য কতটুকু দৃষ্টিপাত দিবে। আসলে ইউরোপিয়ান তিনশ-চারশ বছর আগেই মৌলিক চাহিদা পূরণ করে ফেলছে।জন্মগত ভাবেই প্রাণিদের তারা তাঁদের পরিবারের সদস্য ভাবে।তাঁদের জীবনযাত্রায় প্রাণিদের প্রতি সহমর্মিতা এসে গেছে। মানুষ হিসেবে আমরা না হয় superior  প্রাণি, তারা inferior প্রাণি কিন্তু ভালোভাবে বেঁচে থাকার অধিকার আছে। আমি ছোট থাকতেই দেখেছি, একটি কুকুরকে কিভাবে মানুষ অহেতুক মারতো, কিন্তু এখন তো মায়া লাগে। আমার মনে হয় সেওতো আমার মতো এই পৃথিবীরই একটি অংশ। অহেতুক কষ্ট দিব কেন? তখন প্রশ্ন এসেই যায়, আমি meat খাব কেন? আসলে এটিও nature এর একটি অংশ। আমি তাঁকে খেয়ে বেঁচে থাকবো। আমাকে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া খাবে। আমরা মানুষ, Superior প্রাণী, তাই প্রকৃতির প্রাণীদের না খেয়ে domestication করে খাই। কিন্তু অহেতুক একটি প্রাণিকে কষ্ট দেয়ারতো কোন দরকার নেই। অসুস্থ্য একটি প্রাণির চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার রাখে, ব্রয়লার-লেয়ার পাললেও তাঁদের যেন চাপাচাপি করে না পালা হয়। সে যে তাঁর প্রয়োজনীয় জায়গা পাবার অধিকার রাখে ।বাংলাদেশে এই পাঁচ-দশ বছরের ভিতরে প্রাণি অধিকার একটি বিষয় অবশ্যই আসবে। আসা উচিতও। এখন যদি ইউরোপিয়ান সুপার মার্কেটে যাই, তবে দেখি মাংসে লেখা থাকে This meat is maintained by animal rights মানে ওরা যে ফার্মে ছিল সেখানে ঠিকমতো পরিবেশ দেয়া হয়েছে, খাবার দেয়া হয়েছে, ভেন্টিলেশন দেয়া হয়েছে, ঠিকমতো চিকিৎসা দেয়া হয়েছে, এমনকি অসুস্থ্যভাবে বড় করে খাওয়ার জন্য তৈরি করা হয়নি। আমি কিন্তু ২০০৭ থেকেই ইউরোপ যাই। তখন এটি লিখা ছিল না। এখন সুপার মার্কেটে animal rights এর সার্টিফিকেট না থাকলে chicken, meat বিক্রয় করা যাবে না এবং কেউ কিনবেও না। যে জিনিসটি ছিল satisfaction. আসলে এর প্যারামিটারটা ভিন্ন, আমাদের দেশের অর্থনীতি আর ইউরোপের অর্থনীতি অনেক তফাৎ। সেখানে ভেটেরিনারিয়ানদের অন্যরকম চোখে দেখা হয়, আমাদের দেশের সাপেক্ষে সেটা সম্ভব না।তাঁরা প্রাণি এবং প্রাণিদের ডাক্তারদের অন্যরকম চোখে দেখে। এটাও আসলে বুঝতে হবে।DVM গ্রাজুটয়েদদের scope অনেক বেশী, আমাদের সেক্টর বাড়তেছে এবং আমি মনে করি সত্তর-আশি বছর বাড়তেই থাকবে। আমাদের meat consumption ৪-৫ কেজি প্রতি বছরে যেটা হওয়া উচিৎ ছিল ৩৫-৪০ কেজি। তাই সেই লেভেল না পৌঁছা পর্যন্ত বাড়তেই থাকবে। DVM গ্রাজুয়েটরা অবশ্যই satisfied.

এগ্রিভিউ২৪ঃ মাংসের চাহিদা পূরনে পোল্ট্রি সেক্টরের অবদান কতটুকু?

কাজী সাইদ ঃ Poultry is the major. কারণ রেড মিটের দিকে দিনেদিনে মানুষের আগ্রহ কমছে। হ্যাঁ, Cattle farming এর সুযোগ আছে, সেটা মাংসে না, ডেইরি সেক্টরে। Chicken এর মার্কেট কমবে বলে মনে হয়না।

এগ্রিভিউ২৪ঃ বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সুন্দর কোন স্মৃতি? সবই কি খারাপ?

কাজী সাইদ ঃ (হাসি) আসলে স্মৃতি … আসলে এটি এমন একটা সময় যখন বন্ধুদের সাথে আড্ডাটা ভালো লাগবেই। তবে আমার এক স্যার ছিলেন, পার্থ স্যার… ভীষণ মিস করি। আমি কোন জিনিস মুখস্থ করে হুবহু লিখতে পারতাম না। তো যেটা হয় আরকি! বেশিরভাগ শিক্ষকই চাইতেন হুবহু হতে হবে কিন্তু স্যার ছিলেন ব্যতিক্রম। আমি জিনিসটি বুঝে নিজের মতো করে লিখতাম। একটি Sentence কিন্তু অনেক ভাবেই লিখা যায়। তো স্যার বলতেন, তুমি ব্যতক্রম। তোমার মধ্যে কিছু একটা আছে। স্যারকে ভীষণ মিস করি।

এগ্রিভিউ২৪ঃ বাংলাদেশে পোল্ট্রি সেক্টরের  কি অবস্থান?

কাজী সাইদ ঃ আমি বলবো বর্তমানে স্বর্ণযুগ যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো যাবে বলে আমার মনে হয়। ইউরোপিয়ানদের মার্কেট স্যচুরেটেড, মানুষের চাহিদা পূর্ণ হয়ে গেছে যেখানে আমাদের দেশের স্যাচুরেটেড পর্যন্ত যেতে অনেক বছর লাগবে। গত দশ বছরের ডাটা দেখলে যেখা যায়, আমাদের ইন্ড্রাস্টি ২০-২৫% গ্রোয়িং এ আছে।

এগ্রিভিউ২৪ঃ Anti-microbial resistance তৈরি করতে পোল্ট্রি ফিডে কি অ্যাণ্টিবায়োটিক ব্যবহার হচ্ছে? বা অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প কি আছে?

কাজী সাইদঃ  ১৯৯০ থেকে ইউরোপে অ্যান্টিবায়োটিক close. ১৯৯৭ সালে তাঁরা অ্যান্টিবায়োটিক নিষিদ্ধ করে দিছে। তারাও প্রথম দিকে ফিডে লো ডোজে অ্যান্টিবায়োটিক দিত কিছুদিন সময় নিয়েছিল এবং প্রোডাক্ট ডেভেলাপ করে ফেলছে। এখন তাঁরা ১০০% অ্যান্টিবায়োটিক ফ্রি। বাংলাদেশ ডিম বা মিট এক্সপোর্ট করতে না পারার পিছনে অ্যান্টিবায়োটিক একটি biggest issue. এখন অ্যান্টিবায়োটোক ফ্রি যেটি গ্রীন ফিড নামে পরিচিত। আগে সালমোনেলা কনট্রোল করার জন্য অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হত। এখন আর অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার হয় না, acid base product ব্যবহার করা হয়, Intestine এর PH টা কম করে রাখা হয়।এই প্রোডাক্টটা ১০০% সাকসেসফুল কিন্তু বাংলাদেশে সমস্যা হচ্ছে ডোজে। তাঁরা প্রোডাক্ট ব্যবহার করবে কিন্তু পরিমানে requirement এর চেয়ে কম দিবে, mind setting টা সেভাবে হয়নি। তো আমাদের দেশের সরকারও অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ করে দিয়ে একটু নরম আছে আরকি! ইউরোপের আগের মতো। মাঝখানে Topmost সবাই অ্যান্টিবায়োটিক বন্ধ করে দিয়েছিল। কিন্তু এখন আবার কারও কিছুটা প্রবনতা দেখা যাচ্ছে যদিও আমাদের দেশে পোর্টে বা বন্দর দিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক (ফিডে যেটি ব্যবহৃত হয়) নিষিদ্ধ। আসলে আমাদের দেশের আবহাওয়া, তাপমাত্রা, জীবানুদের লোড এতই বেশি যে অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্পতে হচ্ছে না। বিকল্প তো মেডিসিনের সমান হয় না। তবে এটা নিয়ে কাজ হচ্ছে। আমার মনে হয় দুই-এক বছরের ভিতরে অ্যান্টিবায়োটিক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে। সবাই বলে অ্যান্টিবায়োটিক দেয় না কিন্তু কিছু কিছু unseen use হচ্ছে, সেটাও থাকবে না। তবে বাজারে এখনো অ্যান্টিবায়োটিকের যথেষ্ঠ বিকল্প আছে তবে ফিডের খরচ বেড়ে যায়, এটা সত্য। সরকার যদি আরও কঠোর হয়, তবে সম্ভব।

এগ্রিভিউ২৪ঃ বাংলাদেশে পোল্ট্রি সেক্টরে Animal welfare development কি সম্ভব?

কাজী সাইদঃ এটি আসলে আগেই বলেছি। আরও কয়েকটি বছরের ভিতরে আমাদের দেশেও animal welfare না মেনে পোল্ট্রি raring করলে চলবে না। কাজী ফার্মস, নারিস, প্রোটিন হাউস সহ অনেক কোম্পানিগুলো এ বিষয়ে কাজ করতেছে। Today or tomorrow we have to go export. অ্যান্টিবায়োটিক বা animal welfare  না মানলে সেটি সম্ভব না।

এগ্রিভিউ২৪ঃ আমাদের নিজদের এতো বড় মার্কেট থাকতে এক্সপোর্টে কেন যাব?

কাজী সাইদঃ আসলে মার্কেটের স্থিতিশীলতার জন্য এটি দরকার তবে সেটি একটি নির্দিষ্ট সময়ে করা যায়। যখন আমাদের মার্কেটে excess production হবে তখন স্থিতিশীলতার জন্য বিশেষকরে খামারীদের স্থিতিশীলতার জন্য হলেও পকেট মার্কেট থাকা দরকার।

এগ্রিভিউ২৪ঃ কাজী এগ্রো লিমিটেডের বর্তমান কি অবস্থা?

কাজী সাইদঃ আমরা এখন ব্রান্ডিং এর দিকে যাচ্ছি। আমাদের কোম্পানির acceptance  টপ ক্লায়েন্টগুলোর কাছে বেশি। mid and lower level এ কম মানে ভিসুয়্যাল মার্কেটিং নাই বললেই চলে। Root level পর্যন্ত বিস্তৃতি নেই, উপজেলা লেভেল পর্যন্ত না। নাম বললেই সবাই চিনে না কারণ সবগুলো দামি প্রোডাক্ট, ইউরোপিয়ান প্রোডাক্ট, তাঁরা কিনতে পারেন না,তাই টপ ক্লায়েন্টরাই কিনেন।যাই হোক, next year  আমরা pharmaceuticals  এ চলে আসতেছি। কাজী ফার্মাসিউটিক্যালস নামে আসবে কিন্তু সব ভেটেরিনারি মেডিসিন।আসলে উপজেলা পর্যায়ে অনেক প্রোডাক্ট চলতেছে যার চেয়ে অনেক ভালোমানের রিসার্চবেজড প্রোডাক্ট চলে আসছে কিন্তু অনেকেই চিনে না। মানুষকে যদি চিনানো যায়, বুঝানো যায়, এটি কেন দামি?  তবে আশা করি সম্ভব মার্কেটিং করা। আমাদের বর্তমানে যে কাজ চলতেছে সেটি হচ্ছে Premix plant. আমি বলবো এটি একটি সাহসী পদক্ষেপ। We are the first and we are the pioneer আমরা ইন্ড্রাস্টিয়াল প্রিমিক্স প্রোডাকশন করব। এখন পর্যন্ত প্রিমিক্স এর বাজার ইমপোর্ট নির্ভরশীল, ৭০-৭৫% প্রিমিক্স ইমপোর্ট হয়ে আসে। বাকি যারা দেশে তৈরী করে, সেটি ইন্ড্রাস্টিয়ালাইজ না। এখানে GMP maintain করা বড় ফ্যাক্টর। আমার এখানে যাতে তা maintain হয়, সেজন্য আমি GMP এর উপরে কোর্স করে আসলাম। যাতে আমি World standard এ প্রোডাক্টটা মানুষকে দিতে পারি। প্রিমিক্স প্লান্ট যে কত বড় একটি জিনিস, আমার ফ্যাক্টরিটা দেখার পর সবাই বুঝবে। আমরা এ বছরই এটি শুরু করতে যাচ্ছি। আজকে থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরে, ইউরোপে গেলে দেখা যায় প্রিমিক্স ফ্যাক্টরি কি জিনিস! ড্রামে ভিটামিন, মিনারেল মিক্সিং নয়। আমি এখানে দশকোটি ইনভেস্টমেন্ট করছি যন্ত্রপাতি,ফ্যাক্টরি এগুলোর জন্যই…  ল্যান্ড মানি ছাড়াই ।যেখানে ছয়-সাত কোটি হলে ফিড মিল দেয়া যায়। আমার কাছে মনে হইছে আমি যে এই বাড়ি, গাড়ি নিয়ে ঢাকা শহরে চলি সেটা গ্রামের খামারিদের ডিম বিক্রির টাকার একটি অংশ থেকেই। ব্যবসাটা অবশ্যই আছে, নিজেকে survive করতে কিন্তু আমি তাঁদের বেস্ট একটি প্রোডাক্ট দিতে চাই, যেটা সত্যিকার অর্থেই ভিটামিন-মিনারেল প্রিমিক্স, হোক একটু দামি পন্যই। আসলে আমি নিজে চাইলেই সব ঠিক করতে পারি না। সেদিন একটা স্কুলে গেলাম, welfare নিয়ে কথা বলতে। একটি মেয়ে জিজ্ঞেস করলো, সে দেশের জন্য কি করতে পারে? বয়স হয়তো দশ হবে। আমি বললাম, তোমার বাসায় যদি একটি কাজের মেয়ে থাকে সে যেন সব তোমার মতো খেতে পায়, একটি বিড়াল থাকলে সে যেন অভুক্ত না থাকে। এ জিনিসগুলোই তুমি সহজেই করতে পার। সেটিও দেশের জন্য করা। সেখান থেকেই মনে হয়েছে এ জায়গায় আমার কাজ করার আছে। আমি বলবো না, এখানে আমার business এর scope নাই। আমার business এর scope ও আছে আবার দেশকে কিছু দেওয়ার আছে। এই প্রোডাক্টটা ইমপোর্ট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাক। আমরা উন্নতমানের ভিটামিন-মিনারেল যেটি আমরা তৈরি করতে পারি না, সেটি এনে উন্নতমানের উপায়ে মিক্সিং করতে পারি।

এগ্রিভিউ২৪ঃ অবসর সময়ে কি করেন?

কাজী সাইদঃ আমি না অবসর সময়ে ইউটিউবে অনেক ভিডিও দেখি।পৃথিবীর কোথায় কি আছে। সময় পেলে বিভিন্ন ধর্ম সম্পর্কে জানার চেষ্টা করি। কোন ধর্ম কোথা থেকে আসলো। ধর্মে ধর্মে বিভেদ, এইগুলো আসলে কি? Actually, Religion is an interesting subject to me. সবগুলো ধর্মই খোঁজার চেষ্টা করি। কিভাবে আসলো, তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক আছে কিনা। ইলেকট্রনিক্স একটি ইন্টারেস্টিং জিনিস কিন্তু ইলেকট্রনিক্স নিয়ে কাজ করার এখন আর এতো সময় পাই না। ধর্মের উপরে বই হলে সেটি কালেকশন করে পড়ি। ভিডিও দেখি সব পুরাতন আমলের কিংবা পুরাতন যুগের জিনিস নিয়ে ডকুমেন্টারি। গত কয়েকদিন থেকে আছি গ্রিক মিথলজিটা পরতেছি। গত কয়েকদিন আগে গ্রিস থেকে আসলাম।ইউটিউবে দেখে মনে হচ্ছে অনেক জিনিস মিস করে আসছি। আমি আবার ঐখানে যাব।

এগ্রিভিউ২৪ঃ আপনি মোট কতটি দেশ ঘুরেছেন? টার্গেট কতটি?

কাজী সাইদঃ ত্রিশের মতো হবে।কখনো এভাবে কাউন্ট করিনি। একেকটি দেশে আবার অনেকবারও যাওয়া হইছিল। ইচ্ছেছিল সারাপৃথিবী ঘুরব কিন্তু হয়তো পারব না কিন্তু ১০০ এর পৌঁছার ইচ্ছে। আমি আমার সিডিউলটাও সাজাই সেভাবে। বিজন্যাস ট্রিপে গেলাম, সাথে দু-একদিন বেশি থেকে দেখে আসলাম। তবে গতট্রিপে একটি জিনিস মিস করেছি। আলেকজান্দ্রিয়া লাইব্রেরী।আমি আবারও যাব, এসে মনে হচ্ছে অনেক জিনিস মিস করে এসেছি। আর আমি রাশিয়ায় যাব, ট্রান্স-সাইবেরিয়ান যে ট্রেন লাইনটা, ঐটা দিয়ে চীন পর্যন্ত যাব।যদিও চীনে আগেই গেছি।

এগ্রিভিউ২৪ঃ অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, সময় দেয়ার জন্য।

কাজী সাইদঃ ধন্যবাদ।।

About Publisher

Check Also

ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন

বাকৃবি প্রতিনিধি : প্রথমবারের মতো বিশ্বখ্যাত ছোট জাতের ছাগল ব্ল্যাক বেঙ্গলের পূর্ণঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং সম্পন্ন  করা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *